নাসির ওয়াদেনের কবিতা
এক নির্বেদ আগুনের স্নায়ুছক
নাচতে নাচতে আসা আর ফিরে যাওয়া
কোনো মন্ত্রপূত মাটি জানে না জ্বলতে
ফিরে আসে নক্ষত্রের জল কান্নাঘাতে
একটু একটু করে ছায়া মনজঙ্গলে মেশে
হাসতে হাসতে যাওয়ার দিন শেষ, নির্দেশ
কীভাবে যাবে আগুনের কাছে, ভালবেসে
কীভাবে আঁকবে ছবি নীলিমার গায়ে হেসে
কিছুটা মায়া জমে জল বরফের উষ্ণ স্রোত
নির্বেদ আগুনের স্নায়ুছকে দোতলার বুকে ঘাস
হাওয়ার দোলনা চড়ে চলে যাবে ফুলের দেশ
বাসি রোদ, ঘোলা আগুন কী বিশেষ, কী বিশেষ
মাটির বসন্তে ফুলের সমারোহ
ধাপ ধাপ এগিয়ে যাওয়ার নাম সংগ্রাম
তিলে তিলে জমে ওঠে যে প্রদীপ, ক্রোধ
অহংকারের জল ভেদ করে জন্মে যে গাছ
বেড়ে ওঠা জিঘাংসালিপি বাতাসে নিস্তেজ
এক আকাশ বিষণ্ণ ঘাস হেসে ওঠে ঘামে
নিশ্বাস বৈতরনি পার হওয়ার নদীর ঘাট
হঠাৎই আলোর সংসারে অমাবস্যা চাঁদের
আড়াআড়ি রোদ শৈত্যের উৎসাহ হারায়
কীভাবে ফুটে ওঠে স্নায়ুতন্ত্রে বিশ্বাস বেড়া
ছায়া মেখে তরু সরল দাঁড়িয়ে থাকা আঁধার
মাটির বসন্তে ফুলের সমারোহ, চারদিক ফাঁকা
এত গান তবু বসন্তের ডালে ঝুলে মৃত্যু, হাহাকার
আর কিছুক্ষণ অপেক্ষায় আছি
বাঁশের বনের আলো-ছায়ার ভেতর
খেলা করে
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অস্তিত্বের কাঠি
চারিদিকের অভ্যাস আর নির্দেশনা
মাথার উপর বয়ে চলা বিড়ম্বনা
যা অন্ধকারের ভিতর সুন্দর ফুল
ফুল ফোটাতে পারে নিবিড় বসন্ত উৎসব
তুমি গান গাইলে শীত কাটে
অনন্তের দিনযাপন
যেখানে সৌন্দর্য শুধুই মায়াময়…
আলোর সাগরে রূপালি স্বপ্নের পাপড়ি
মেলে ধরার দিন অস্তগত
আমি সুদূরের লব্ধ পাড়ের দিকে তাকিয়ে
সূর্যোদয়ের আগেই কুয়াশা ছাইচাপা
তুমি আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো সোনালি