সোনালী ঘোষের কবিতা
ক্যাম্প
আমাদের কোনো দীর্ঘ বারান্দা ছিলো না কোনদিনই
যেখানে সূর্যাস্তের রঙটুকু এসে বসে;
জল ঝর্ণার ধ্বনি ধুয়ে দিয়ে যায়
এতসব কোলাহল ।
পাহাড়ের কোল ঘেঁষে কেবল ই তো মেঘেদের রঙ;
যাকে বিষন্নতা বলেই জানি,
তিরতির করতে বয়ে যাওয়া অপেক্ষার নীল জলে
মৃত মাছের ফ্যাকাশে চোখ…
তবু ব্যাথার গভীরে লুকানো
দীর্ঘশ্বাস প্রশমন করি।
উন্মাদ হয়ে যাই
চিবুক বেয়ে গড়িয়ে যায় আলোকবর্ষেরা
কেড়ে নেয় মাঝরাতের ঘুম,
আপেক্ষিক সুখ ও তছনছ…
গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ,অনুভূতির ভেতর একবগ্গা
আলতো আদর ঝিম মেরে শুয়ে থাকে;
অথচ পাশটিতে, নিবিড় কাছটিতে ই তার টলটলে মুখখানি…
এই সব দিনে মনে হয় উন্মাদ হয়ে যাই।
যে শহরে কেবল ছায়া
দিনরাত কটি টলমলে ছায়া
জামবাটি হৃদয়ের ভেতর দারুণ অসুখ কেঁদে কেঁদে
তাকে জলপাইয়ের বন করে তুলেছে
এখন রোজ ভোর হলে পাতার উপর চকচকে
রোদ আসে;
তুমি কখন আসবে ঠিক নেই
আদৌ আসবে কিনা…
তবু কেঁপে ওঠা স্বরকে শান্ত রাখি
ওকে বলি,
আকাশের গায়ে
ফুটে ওঠা তারাটির কথা।