মাসুদ চয়নের কবিতা
আঁধারের যাত্রী
কোনো উত্তর আধুনিক অভিলাষীর পদপৃষ্টের ধাক্কায় ফুটবলের মতো গড়িয়ে চলছি কাগজ কলম নিয়ে—
জানি না কোথায় গিয়ে থামবে কাব্য সচল নদী।
কী বা উদ্দেশ্য তার;কোথায় গন্তব্য সীমান্ত-
লাথি খেতে খেতে উঠে দাঁড়িয়েছে কতো কতো জনৈক বৃক্ষ;আমি তাহা পারিনা যে—
উঁচু মাথা নিচু করে চলা হীণ চেতীর
আদর্শ-
আমার আদর্শ আগুনের মধ্যে শৌর্যদীপ্ত;মরিবার আগে ভাংচুর হচ্ছি কতো শতবার ; তবুও বজ্রের মতো স্বীয়দীপ্ত ঔজ্জ্বল্য বহমান অন্তরে—
পৃথিবীর লৌকিক পাড়ায় যতো অন্ধকার ততই আলো-
প্রতিশোধ প্রবন নেশাগ্রস্ত মমিমন
মনুষ্যত্বহীন অর্বাচীন!
তবুও উদয় চিত্ত্বের সত্যভাষী এগিয়ে চলে উদয়ের তাড়নায় ; সাম্যের উদয় হচ্ছে না আদৌ জেনে।
নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে বিষ ছড়িয়েছে জলের আগুন ; এ আগুনে ভেসে চলেছি একেলা।