সাত্যকির কবিতা
হেমন্ত
দাড়ি কমা সেমিকোলনের মত জটগুলো গাঁট বেঁধেছে
হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছানো যায় না খেলার বাড়ি
ভেজা হয় না
অপেক্ষা দিয়ে শুরু এক অনন্ত অপেক্ষায় দিন শেষ
স্মৃতি বলতে আধ পোড়া সিগারেট হাতের
ভেজা রুমাল থেকে ওঠা ভ্যাঁপসা ঘামের গন্ধ
জামার গোটানো হাতায় ঘামের দাগ আর কিছু কুয়াশা চোখের পালকে…
সব মিলিয়ে এই হেমন্তে ঠাণ্ডা না পড়েও ঠাণ্ডার এক উদ্ভট আয়োজন
কম্বলের অকাল আগমন…
সরলরেখায়
কত কানামাছি খেলা কত লুকোচুরি গল্প
ছোটবেলা ছেলেখেলা মুছে মুছে যায়
বড়বেলা গ্রীষ্মের মত এগিয়ে আসলে
কানামাছি খেলা লুকোচুরি গল্প
জমে জমে পাথর হয়
আর তারপর,
এই পথ ধরেই আঁকা হয় একটা সরলরেখায়…
অ্যাভিনিউ
মাঝেমধ্যে পিছনে ফিরে খুব দেখতে ইচ্ছে করে।তারপর সব গুলিয়ে যায়।একটা চৈত্রের বিকেলের মত খামখেয়ালি সেদিনের আমরা… আজকের থেকে বড্ড বেমানান!অস্বস্তি হয়… হয়ত সামনে হাঁটছি তাই… এই এলোমেলো পথে হেঁটে চলতে চলতে ধর্মতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করি, অনেক দূরে হাত ছাড়িয়ে এসেছি, পকেটে খালি সিগারেট বাক্সে তামাকের গন্ধের মত জড়িয়ে আছে এই স্মৃতি… এখন হেঁটে চলা অনির্দেশ্য,দুপুরের মত নিস্তব্ধ আমি,কোলাহলকে জড়িয়ে ধরার অপেক্ষায় এবারের পা ফেলা… সিগারেট বাক্স ফেলে চলেছি নতুন হাটের দিকে…