দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

ক্ষয় লিপি ১
বাড়ির অসুখই। ইঁট শ্যাওলার ভালবাসা। সা
লাগে না কার্নিশে । শেষের বেলায় বালি ঝুরঝুর
ঝুরি বটের মায়াময় । ময় দানবের কান্না । না-
সৃষ্টির শিকড় খুব টানে। নেভা বাতির সংলাপ
পছন্দের উঠোন । নষ্ট তুলসী তলা । লাফ আর
কিতকিত । তছনছের পর এক উটের গ্রীবা
বাড়ি বেরঙ। রং নাম্বার ডায়ালে । লেহেঙ্গা খসে খোলামেলা। মেল বক্সে শূন্যের বাড়
বাড়ন্ত রোগ ক্রমশ যাত্রা পালার শেষ পর্বে
একটা হারানো সুর খোঁজে পাবে না জেনেও
ক্ষয় লিপি ২
রোদের হামা । মা তুলছে স্নেহ । হলুদ সূর্যমুখী
মাঠ । ঠকছে না চোখ । খসে পড়ছে পুরনো পাতা
তালে আছি বেতালেও । ওম চাইছে শরীর । রস মহুয়ার। রঙের গানে ডুবে আস্ত সকাল
কালা গাভী । ভীষণ ডাকছে মা । মাতাল চারপাশ। পাশ খুলতেই জড়ানো। নোলা নামছে
ছেদ হয় না । নালার পাশে পড়ে কুকুরের বাচ্চা। চাহনিতে মা-হারা । রা নেই এমনই দুর্বল
লক্ষ শিশু মৃত্যুর পরও দাঁতে দাঁত ঘষছে হিংস্রপক্ষ আর পলাশ ঝরছে খুব মাটিতে
ক্ষয় লিপি ৩
সূর্যাস্তের কাছাকাছি। ছিন্ন পাতার উড়ান । নকশা আঁকা আকাশের নীচে। চেহারা হাসিহীন
নখ বাঘের । ঘের দিয়ে রেখেছে তারা । রাক্ষস
জাগলে অন্ধকার দ্রুতগামী। মীরা কৃষ্ণহারা
রাগ শ্যামকল্যাণ চায় । চায়না প্রাচীর যদি ভাঙে । ভাঙনের কাছে দাঁড়িয়ে বাঁকাচাঁদ
চাঁদোয়ার তল । তাল তুলছে খোল । ললিতা বিশাখা প্রহ্লাদ কথা । থাম ভেঙে পড়লেই নৃসিংহ
হত্যার গভীরে শুধু ভক্তি না অসূয়াও থাকে আর নক্ষত্র নিভে জ্বলে ওঠে শিকারী চোখ
ক্ষয় লিপি ৪
সূর্যাস্তের কাছাকাছি। ছিন্ন পাতার উড়ান । নকশা আঁকা আকাশের নীচে। চেহারা হাসিহীন
নখ বাঘের । ঘের দিয়ে রেখেছে তারা । রাক্ষস
জাগলে অন্ধকার দ্রুতগামী। মীরা কৃষ্ণহারা
রাগ শ্যামকল্যাণ চায় । চায়না প্রাচীর যদি ভাঙে । ভাঙনের কাছে দাঁড়িয়ে বাঁকাচাঁদ
চাঁদোয়ার তল । তাল তুলছে খোল । ললিতা বিশাখা প্রহ্লাদ কথা । থাম ভেঙে পড়লেই নৃসিংহ
হত্যার গভীরে শুধু ভক্তি না অসূয়াও থাকে আর নক্ষত্র নিভে জ্বলে ওঠে শিকারী চোখ
ক্ষয় লিপি ৫
মাকড়সা । সাবধানী হয়েও জালে । লেন্স পাল্টানোর পর । রতনকে মেলে ছাইগাদায়
দায় কারো একার নয় । নয়ন খুলবার পর নয়ানজুলি । জুলি সিনেমা এখানে প্রতিদিন
দিন নেভে । ভেসে যাওয়া হংসী ফেরে । রেবা
রায় গান হয় নুয়ে পড়া পৃথিবীতে। তেরো পার্বণ
বর্ণপরিচয়। পরিচয়ে প্রথম পড়ি ফর্সা মেয়েটিকে। টিঁকে থাকে শুধু শ্যামা নামের বান্ধবী
বিলুপ্ত হাতে লেখা চিঠিগুলো ফিরলেই ফিরবে কত অনিদ্রার রাত পাশবালিশসহ
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়