কল্যাণ দে’র কবিতা

কল্যাণ  দে’র কবিতা

আমাকে টানে

পশ্চিম দিগন্তে হেলে চলেছে … সন্ধ্যার জেলে
এখনো জাল ফেলে তুলে আনছে পুবের ফসল
শতাব্দী, আমার কবিতার ভাষা কলকাতার প্রেম
হেমন্তের সারাৎসার নবান্ন সাজিয়ে
কোন কুহকী মায়ায় টেনে নিচ্ছ বুকের আগুনে
সামনে ফাগুন আসছে… সেজে উঠছে বন
বনজ ফুল
তোমার উড়ন্ত চুলে খেলা করে মোহমায়া হেম

আকুল বসন্তে জীবন বয়ে চলে মোহনায়
আমাকে বার বার টানে জিম করবেটের গ্রাম

কফি হাউস

কফি হাউস খুঁজতে গিয়ে দেখলাম
বৈঠক বসেছে রাজা বাজারে
রাজকীয় মন সুরার নেশায় ভূমিকম্পে টলছে
মন যেন মোমের গলন গলছে আর গলছে
যেন গলন্ত লাভা স্রোত লাভ লোকসানের দাবায়
কিস্তিমাতের চাল চেলে বস্তা সস্তায় বেচছে

কোথায় খুঁজছি আমি কফি হাউস
সে তো মনের পরতে পরতে !

চা সংবাদ

প্রভাতী আসরে বসে দু কাপ চা যদি না পাই
মনের মধ্যে গর্জায় মেঘ
বেগবতী বাতাসের কান
গান শোনায় মধুপ গুঞ্জনে

এ এক আশ্চর্য দেশ
সবুজ মরূদ্যান
মাইলকে মাইল যেন সমুদ্র ছুঁয়ে থাকে
চায়ের ঢেউ
আদিবাসী মেয়েদের টিপাই-এর কাজ আর
সাদ্রি ভাষায় লোক সংগীত প্রীতিময় হয়ে ওঠে

প্রভাতী আসরে আমার চাই
দু কাপ চা