পিয়াংকীর কবিতা
বাড়ি এবং আনুষাঙ্গিক
(১)
চলাচল শুকিয়ে গেলে বসে থাকি বালির পাশে
বন্ধ হয়ে আসা পথ পিছলে যায়। জলে জলাকার
একটা নিশানা।ফাঁকফোকড় দিয়ে আলো।
যিনি আসেন তিনি মাননীয়
তার গা বেয়ে নেমে যাওয়া সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে সব
আমি এগোই না।শুধু তাকিয়ে দেখি কিভাবে একটা মানুষ সভ্যতা হয়ে যায় অবলীলায়
(২)
ধীরে ধীরে রাত আলো হয়ে ওঠে।নির্বাক নিথর
গাঢ় ভুরুর মাঝ বরাবর দু’আঙুলের কপাল
কোথায় যেন উনুনে জল ফোটে।
ধোঁয়া ওঠা ডালভাত আর এক টুকরো মাছের ঝোলে ভবিষ্যৎ দেখতে পান আমার মা
পিঠের ওপর একটা কুঁজ বানিয়ে আমি উট হয়ে যাই
কবিতার নামে একটা বাড়ি আর কিছু প্রাচীন অপবাদ… লিখে রাখি
(৩)
তোমরা এগিয়ে এলে আমি একা বাধা দিই
সামনের দিকে তাকালেই ঝলসে যায় চোখ
মিইয়ে যায় আলো
অনুভূতিরা পরমাণুর মত।দোসর খুঁজতে ব্যস্ত
আমার একটা গাছ আছে।একটা বাড়িও আছে
আমি ফলের বদলে পাতা পুষি
আর বাড়ির বদলে মানুষ