মো. দেলোয়ার হোসেনের কবিতা

মো. দেলোয়ার হোসেনের কবিতা

দেশলাই

সেদিন থেকে
বুকে বারুদ বেঁধে আছি

জ্বলবো
একটু ছোঁয়া পেলেই জ্বলে উঠবো

কিন্তু
চোখে চোখ রাখা বড্ড সাহসের কাজ

দেশলাই বাক্স ভরা অনেক কাঠি
খেয়াল খুশি মতো খরচ করা হলো না একটাও

হাত বাড়িয়ে দ্যাখো
দেশলাই বাক্সটাই বেঁধে দেবো তোমার আঁচলে!

বাজে বলোনা

বাজে বলোনা
বাজেটাই টানে বেশী !
ঘরে বেঘোর রাত আড়ি পাতে তক্তপোশে
খোলা বাতাস
বুকে লাগে ভীষণ! তাই
চাঁদ রেখে জ্যোস্নার কাছে প্রতিরাতে ভিক্ষে চাই নগ্ন এক চুমুক জল!

বাজে বলোনা
বাজে শব্দটার কোনো অহংবোধ নেই
পথের ধুলো পায়ে মেখে তবে নাকি পথ চেনে পান্থজন
কবিতার অক্ষর খুঁজতে কবিও পথের ধুলো কুড়োয়
তবে কোন পথ?
সোজা? নাকি বাঁকা?
হরহামেশা যে পাখি হতে চায়
বাঁকা গলির কারো পায়ের নূপুর, সে পাখা মেলে ছুঁতেও পারে!

বাজে বলোনা
বাজেটাই টানে বেশী !
পথে যদি হাঁটো, তবে দেখো তুমি একা নও!

এবার শীতে

এবার শীতে তুমি অনেক উষ্ণ হবে , আমি হবো রোদের ঝিলিক!

আঙ্গুরলতা তোমাকে জাপটে ধরে থর থর কাঁপছে যখন
আমি বুঝেছি ফায়ারপ্লেসের খুব কাছে বসে আছে ঝড়
শীঘ্রই আমি ভেঙ্গে যাবো গুড়িয়ে যাবো
ওক কাঠের পিপার মতো গড়িয়ে গড়িয়ে তোমার কাছে ধার নেবো তৃষ্ণার ওয়াইন !

পাইন গাছের নীচে থমকে দাঁড়িয়েছে সময়।এখন কিছু একটা হবেই হবে !
তুমি এখনই ব্যালচা দিয়ে আঙ্গিনার বরফ সরাতে সরাতে আমাকে দেখবে
আমি ফুল নিয়ে আসবো, রোদ নিয়ে আসবো, চুম্বন নিয়ে আসবো। আমাকে নিয়ে আসবো।

এবার শীতে তুমি শরীরে বরফ মেখো, সেই সাথে গালে মেখো রোদ
তোমাকে না বলেই এবার আমি ছিনিয়ে নেবো- ছিনিয়ে নেবো !