শীর্ষেন্দু পালের কবিতা

শীর্ষেন্দু পালের কবিতা

খণ্ডচিত্র

‘ একা একা দেখি ওই সুন্দরের সংশ্লিষ্ট পতাকা ‘
তারপর ঘুমের মধ্যে কাঠের বাক্স পেতে বসে জোকার। দুরন্ত এক সেতুর উপর থেকে দেখলাম খড়কুটোর মতো হেঁটে যাচ্ছো তোমরা। স‍্যারিডন হয়ে গোল চাঁদ আমার কাছে এলে নেগেটিভ নিয়ে চঞ্চলা স্টুডিওতে যেতে হবে আমাকে।

‘ স্বীকার করি দুজনকেই মানিয়েছিল ভালো ‘
কটন জিনস্, বুশ শার্ট – বাদামি বেল্ট। জামার হাতা গোটানো থাকলে আরও কি স্মার্ট লাগতো? রোদচশমা ছিল না। ডানদিকে সিঁথি, ক্লিন শেভন – পায়ে লাজুক মিশুকে কালো। তুমি কি পড়েছিলে, কেন যে আমার কিছুতেই মনে পড়ছে না।

‘ ভ্রু পল্লবে ডাক দিলে দেখা হবে চন্দনের বনে ‘
নিসঙ্কোচে ছিল বুননের গল্প— একটা, দুটো জড়ো করে আনা ঠোঁটে। পছন্দ অপছন্দ … এভাবেও চলে যাওয়া যায়! তুচ্ছ তুচ্ছ তবে সে আগুন, সেইসব পাক খাওয়া মনখারাপ … মসৃণ হাইওয়ে। সব আলো ঘিরেছে অন্ধকারের মলিন মুখ।

ভ‍্যালেন্টাইন

তেমনভাবে কেউ ছিল না
ঠিকঠাক নেইও কেউ আজ
ভালোবেসে জানতেও চায়নি
কতটুকু করেছি অকাজ।

আকণ্ঠ কলসও যাবে না ভরা
সেইখানে দেবতার শব
শ‍্যাওলা সরিয়ে — পাথরের জরা
গেয়েছিল ভালোবাসার স্তব।

প্রতিচ্ছবি

ক্ষত মনে রাখে আয়না, ধরে রাখে টিপ দাগ
যেটুকু কপাল পোড়ায়— তাতেই অনন্ত সোহাগ
কোথায় রেখেছো মনকেমন কোন বটুয়া জানে ?
শেষ বিকেলের সব গল্প কি সন্ধ‍্যাতারা মানে?