সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
মুক্তির খোঁজ
একটা নদীর শান বাঁধানো ঘাটের পাড়ে,
সারাদিন জলে হুটোপুটি করে,
লোহার খাঁচায় নিজেকে পুরে,
বলবে মন একটা দমবন্ধ পরিবেশের কারাগারে।
তবু হঠাৎ করে মধুমাস মনে করিয়ে দিতে
মাঝে মধ্যেই তোমার আসা চাই।
ভাবছো আড়ালে গিয়ে আবার পাখিটাকে
খাঁচায় ঢুকিয়ে একই স্বপ্ন দেখাবে।
আর তুমি বাইরে ছোটাছুটি করে
এটাই মুক্তির পথ খুঁজবে !
কিন্তু নদীতে এখন বন্যার জল উপচে পড়েছে,
তাই সে সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।
আপন মহিমায়
মুক্তির আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে পথ খুঁজে নেবে।
কঠিন সময়
চতুর্দিকে একটা জ্বলন্ত উনুন,
সবাই এদিক ওদিক ছুটছে অবস্থা বেশ করুণ।
সবার গায়ে লাগছে আঁচ বেশ অনেকটাই গরম,
সবতেই ব্যবস্থা পাকাপোক্ত পর্যবেক্ষণ সবরকম।
প্রশ্ন সবকিছুতেই যখন হচ্ছে সফল,
হঠাৎ এক মায়ের চোখের জল পড়ে চলেছে অনর্গল ?
সকালে চোখ মেললেই হইচই হট্টগোল,
তবু সব অনুযোগ এখন হিমঘরের নির্বাসন।
সবেতেই ছিল নাকি অভয় বচন,
তবে কি মিথ্যাই ছিল এই ভয় ?
তাহলে ভয় নেমে কেন এলো আশি-আঠারোয় ?
এসে সবাই মিলে উত্তর চাই ।
আমরা জানি শাখা-প্রশাখা এখন বেশ বড়সড়,
তবে নিশ্চয়ই রয়েছে গোড়ায় গলদ
না হলে যা ঘটেছে !
সেটা সময়ের সামনে রেখেছে এক কঠিন বরফ,
আমরা জানি না সেটা আদৌ গলবে কিনা !