সূরজ দাশের কবিতা
ঘুমের চৈতন্য জুড়ে ঘুণপোকা
ঘুমের চৈতন্য জুড়ে ঘুণপোকা
ক্যাচর ক্যাচর সারারাত
দাঁড়ানোর মত মাটি নেই
নেই মুখোমুখি বসিবার শান্ত তটভূমি
যেদিকে তাকাই শুধু
হেঁটে যাওয়া মানুষের
আহত পায়ের ছাপ
ভেজা আকাশের নিচে দিকভ্রান্ত টুনিপোকা
চমৎকার আলো হাতে ছড়ায় কুয়াশা
বুকের ভেনাস থেকে বের করে
সোনালি অ্যাপেল
চোখ বুজে সন্তর্পণে যারা রাত্রি পেরোয়
পেরোয় নিশা অমানিশা
গোলক ধাঁধার তিন চক্কর টপকে
যারা পুনর্জন্ম খোঁজে
তাদের আকাশে আজ শাপজন্ম
নাচঘরে সাজায় পুতুল, বেদনা রঙের দীর্ঘশ্বাস
মুখোমুখি দাঁড়ানোর মত মুখ নেই
ঘুমের চৈতন্য জুড়ে ঘুণপোকা
ক্যাচর ক্যাচর সারারাত
অসুখে মৈথুনে বাঁধো
আমাকে আড়াল দাও, পুঁতে রাখো চুঁচুড়ার মাঠে
গ্রীষ্ম ঠেলে ধুমধাম আয়োজনে বসো আষাঢ়ের
চাইনা চাইনা আমি রোদ্দুরের থোকা, ধুনধুল
এসো পাখি বুনোফুলে, এসে করো বিনম্র আহার
আমাকে তাচ্ছিল্য কর, ছুঁড়ে ফেলে দাও অন্ধকারে
অসুখে মৈথুনে বাঁধো, এসো পাখি, ছোট হয়ে আসা
আলোর রুপোলি গঞ্জে যেটুকু উত্তাপ মুছে দিয়ে
বাসা বাঁধি হতাশার, শিকড়ে লাগুক ঘুণপোকা
বাঘ ভাল্লুকের তেজ শান্তাহার গোলকে আগুনে
আছড়ে পড়ুক খুব, রণাঙ্গনে আজ পক্ষহীণ
ভয় নেই ভয় নেই, বরষা ভরসা বেজে ওঠো
কাঙালী বাঙাল আমি সব নেবো, চেটেপুটে খাব
শিরোনামে লিখি যদি বেহুলা মনসা কাহ্ন লুই
আমাকে কি তুলে নিবি, দিবি তোর বিদেশ বিভুই ?