কুমকুম বৈদ্যর কবিতা
ভালোবাসার অনেক নাম
গাছের পাতায় লুকানো অক্সিজেনে শুভ দৃষ্টির মিসিং দুচোখ
ফোঁটা ফোঁটা জলজ আয়নায় খোঁজে অহেতুক মেঘের টুপটাপ
অচেনা কিন্তু বড্ড বেশি চেনা , সন্ধের কাছে রাখলাম গচ্ছিত
দুষ্টুমি ভরা খান দুই চোখ উঁকিঝুঁকি দেয় ক্যানভাসে
আজ থেকে চলো শুরু করি লুকোচুরি খেলা জলপাই রঙা ডাহুকির ছন্দে
ভালোবাসার অনেক নাম ২
জোর করে ঐ চোখ ঢেকেছি, খিল দিয়েছি ভিতর ঘরে
ইচ্ছা যদি কচুর পাতায় টাপুর টুপুর বৃষ্টি ধরে
যেসব ট্রামে বর্ষাতি বয় রৌদ্র কিংবা প্রবল ঝড়ে
যেসব দিনে সাঁঝের বাতি কাঁপতে থাকে প্রবল জ্বরে
বেহিসাবি আদর ডাকে আলতো করে বেজায় মুডে
সেসব দিনে বরং তুমি বিরতি দিও বাঁধের কাজে
নক্ষত্রের জন্ম
চমকে দেখি সবুজ আলোয়, যেসব ঘুমেরা ছুটি নিয়েছিল জড়াজড়ি করে
সমস্ত ধমনী আর শিরার ক্রশ কানেকশনে নীল দেহ মহাদেব অমৃত সন্ধানে
ছুটে চলেছে কৃত্তিকা আর আর্দ্রার কাছে বারবার নিজেকে শুকাবে বলে
কিন্তু নক্ষত্র নিজের আলো নিয়ে বড্ড স্পর্শকাতর
সে সর্বদা তার হিলিয়ামের পুঁজি গুনে গেঁথে হিসাব রাখে
কাক ভেজা রডডেনন্ড্রন আর হাস্নুহানার কাছে তার কোনো ঋণ নেই
প্রতিটি বিবর্তিত শোকে জমা থাকে এক হাজার হিলিয়াম কণা
রচিত হয় রোজ নতুন আলো জলে ও প্রলয়ে ,মিলনে হয়তোবা বিরহে ও
কত অপরিচিত মেঘ পুড়ে গেছে পুরোনো স্মৃতির দায়ে
নীরবতার সুরক্ষা কবচ পরেছে কালপুরুষ
মিশে যাব ওই মহাকাশের বিশাল কালোতে, লাগবে না আলো
নক্ষত্র তৈরির ল্যাবরেটরির মালকিন অশ্রু কণা, একথা নক্ষত্রের ও অজানা
ইচ্ছে! তোমার জন্যে
আমার ইচ্ছে গুলো নোঙর ফেলেনি
তাসের দেশ থেকে চলে যাব দূরে
জ্যোৎস্নারা এখনোতো শীত ঘুমে বসতি গড়েনি
নীরবতা যা পারে শব্দ তা কখনো পারেনি
রোজ ভাবি মরে গেছি
তবু চলি এ হৃদয়ে বাইপাস সহ
লাশ কাটা ঘর থেকে এই দেহ কুড়োতে
হয়তো বা আছে কেউ , করে দেবে দাহ
ইতিহাস বই সব আজ মহাকাব্য
সব নদী বাঁধ পেলে হয়নাতো শান্ত
বারবার ফিরে আসে বন্যেরা বনেতে
খাঁচায় পুরলে মন পোষ তবু মানে কি?
আবেগের বন্যায় ভেসে যায় নদী
হাতের উপরে হাত তুমি রাখো যদি
জীবন আনন্দময়
দুঃখকে দুই ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দাও
বসতে দিলেই বিপদ ডেঙ্গু র মশার থেকে ও সাংঘাতিক
বরং রোজ সকাল থেকে রাত অবধি প্রাণপণ বাঁচো
সকালে যে পাখিটা তোমায় দেখে শিষ দিয়ে গেল
তার জন্য অনাবিল আনন্দ তুমি পেতেই পারো
মাঝে মধ্যে ই জানি একরাশ দুঃখ বুকের মধ্যে দলা পাকিয়ে গলা পর্যন্ত উঠে আসতে চায়
ও কিছু নয় অ্য়াটেনশন পাবার ফিকির
হুস হুস করে তাড়িয়ে দাও ,তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ কর ছোট ছোট ভালোলাগা গুলো ও
আফসোসের ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়ে দুঃখ, চোখের জল ও
কান্না পেলে আনন্দে কেঁদে নিও, দুঃখের ভাগে রেখোনা কানাকড়ি
আনন্দের হাত ধরে এক্কাদোক্কা খেলতে খেলতে এগিয়ে চল
জন্ম মৃত্যু দুই ই ভীষণ সুখের