ঋভু চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা
প্রস্তুতি
এবার যুদ্ধ শুরু, পড়ে থাকা হাত পা
পরে নেওয়ার ঢেঁকির ওঠা নামা।
জন্ম নামে গোলাপি বিকালের কার্নিশে।
ওখানেই এক রাত্রি শব সাধনার নামে
চার পেগ অন্ধকার পান করতে হয়েছিল।
যুদ্ধ শুরু, বিদায়ের লোকজন পাশে বসে,
মরা অক্ষরের সাথে মুড়ি ভাজে রাতের
আধপেট, বাকিটা যদিও অম্বল ।
অস্থিরতা
একটা গোটা মুহূর্তের পিঠের ওপর পিঠ চেপে
যে মানুষ অক্ষর জন্ম দিয়েছে তার চায়ের
দোকানেও অশরীরী স্রোত।
নিজেকে এতদিনেও মুখোশ না মনে হলেও
পড়ে থাকা খড় কাঠ বালি রেখে দিব্যি
চোখের সামনে ডুবে যাওয়া দেখছি।
একটি ভার্চুয়াল যোগাযোগ
না হয় শরীর ছুঁয়েছে কয়েকটা শব্দ জঙ্গল
চলাচলের রাস্তাতেও যদি নৌকা ভাসে
তার নামে নেহাৎ ধাপ্পা দেওয়ার আরেকটা নাম
লুকোচুরি।একটু আড়াল অন্তত কয়েকটা ভার্চুয়াল
সন্ধে তারপর আবার কবিতার মাদুরে লিকার চা।
দু’এক মুঠো নির্দোষ তেল মাখানো মুড়ি
তাতেই কেয়া বাত…।
যেসব কমিটি তদন্তের কচ্ছপ পিঠে
তাদের শরীরের চুমুর ঠোঁট।
না হয় কয়েকটা উড়োপথ, না হয়
অক্ষরের আঠা বিরক্তির যোগভাগে।
কয়েকটা দিন ভার্চুয়াল গা’ঢাকা।
একটা নতুন মুখোশের আড়ালে নগ্নতার
ভাইরাস থাকলেও ছুঁয়ে দেখা মানেই গঙ্গা নয়,
এক একটা অন্ধকার শুধু আলোর হাত বা
শরীরের মাঝখানে।চুপ মানেও কয়েকটা লাইক,
লুকিয়ে থাকবার আরেকটা নামের আড়াল
আসলে উড়ন্ত কমেন্ট।