সাহিন আক্তার কারিকরের কবিতা

সাহিন আক্তার কারিকরের কবিতা

ভার্জিন পৃথিবী

কবিতার ভিতরে প্রেম নেই, প্রেমের ভিতরে মৃত্যু
নাগরিক ঠোঁটে জোঁনাকির আলো জ্বলছে
মৃত গ্লাসের মদ বরফে আত্মতৃপ্তি
মাতাল জানে।
স্বর্গীয় জানালায় বেকারত্বের যৌবন টানিয়ে কোলাহল মুক্ত বাতাস কুঁড়ায় পথচারী পতিতার অন্ধ মনি মাকড়সার জাল নোট।
আকাশে তারা নেই
তারাদের কোনো আকাশ নেই
ঠিক যে ভাবে জরায়ুর গন্ধ পায় বাতাস
সেই বাতাস কে ভালোবাসতে পারেনি মাতাল
চৌ-কাঠে
মাস কাওয়ারি রক্তে সওদা
করছে ঈশ্বরের সাথে ভ্রমরহীন নারী
নক্ষত্রের নিজস্ব আলো আছে, পৃথিবীর?
আচ্ছা
পৃথিবী তাহলে ভার্জিন
অবৈধ গ্রহের সূর্যগ্রহন সন্ধ্যায় অবর্ণীয় যৌন ত্রাস
পুড়ে যাক
পাহাড় পর্বত
গাছ নদী নালা জীব।

কবি কে?

অর্ধেক জ্যোৎস্নার উঠানে বসিয়ে নবাব একবার বলেছিল
নয় এর নামতা জানো তো?
তাহলে এবার গুন করো…

কবি কে?
যে নামতা জানে তাকে কবি বলা যায় না

এই দেখো, তুমি ধরলে আর আমি ছাড়লাম
তারপর, তুমি তোমার প্রেমিকাকে বোকা বলতে পারবে না

আমি ভাগ জানি
দাদু দুদিন পরে দেখো কেউ মনে রাখবে না।

এই ঝড়
আম পচা যৌবন, বাস্তু ভিটে, উলঙ্গ আঙুলের ফাঁকে কাঠের নোঙর।

আবর্জনা

একটি মানুষকে হত্যা করে নির্মমভাবে হামাগুড়ি দিতে দিতে নতুন পৃথিবীর নিরবতা উদযাপন হবে ঘড়িতে চোখ রেখে।
আমার হাতে কোনো ফ্রেন্ডস ফলোয়ার নেই অথচ আভিজাত্যের দেওয়ালে ঘুটে দিয়ে
স্বপ্ন রোদে শুকাচ্ছে রোজ
ধার করে একটি কলম কিনি কিন্তু খাতায় কিছু উইপোকা সাঁতার কাটে নোনা জলে নিজেকে জেনে নেই আমি
চতুর্থ কিংবা ৪১ তারপর ধীরে ধীরে জেনে যায় কত প্রিয়?
নষ্ট করে রেখে যায় কিছু খুচরো আবর্জনা
তা নিয়ে কিছুই লিখতে পারিনা
হাতের ওপরে উর্দি পড়া সৈনিক টাকার গন্ধ শুকছে…

চরিত্রহীন অক্ষর

ইজ্জতের উপর একটি কালো কলম রাখো
ভিত্তিহীন, চরিত্রহীন অক্ষরের
ধর্ষণ করার পর যোনির রক্তে একটি লাল পৃথিবী আঁকব।

নারীর অঙ্গে নেশা
নেশা মুক্তির কাপড়ে নষ্ট প্রলাপ
প্রলাপের ভিতরে পতিতা ভক্তিমার্গের ভজন গায়

পচনশীল পান্তার মোহে
মাতাল হয় শিশু তারপর ঈশ্বরের চোখে তর্জনি রেখে- পৃথিবীর প্রতিটি অন্ধকারে ছিদ্র যোনির
রক্ত মাখা কঙ্কাল

কাঠের উপর আগুন
আগুনের ভিতরে লক্ষ্মীর বুকে প্রমাণহীন পিশাচের পা ।