সিদ্ধার্থ দাসের কবিতা
পরিত্যক্ত কুয়া
ভূপৃষ্ঠ থেকে ক্রমশ নীচে নামি, সেটা পরিত্যক্ত কুয়া।
বালির জল ধারন ছিল। জলতল পাথর স্পর্শ করে, এখন মুখ দেখাও যায় না।
আলাপচারিতা শেষে নাম শুধালাম, শুধু বললো ‘জিজ্ঞাসা’।
অপার করুণায় দশমিকের পর শূন্য বাড়িয়ে বয়স।
থমকে বাতাস, গুমোট।
জাম ঘসে ক্যানভাস বিমুর্ত শিশু
বিশেষ নাম দেওয়া হল শিল্পীচক্র আসরে।
পদক ফিরিয়ে দেবো জিম্মায়। গালায় গড়িত সোনা ধুলো মন্ড।
পাতালে অকৃত্রিম জলধারন ছিল। ক্রমশ কব্জি ডুবে হৃদয়াতুর।
মাটির জলধারণ ঋজু। জীবন শৈলী প্রকাশমাত্রা নিরপেক্ষ। স্বাধীন
কোমলতা স্পর্শে চঞ্চল প্রান ভ্রমরা।
বিদায়বেলা ও আগমনী
উত্তাপ অনুভূতিগুলো সরল মেঘমুক্ত আকাশ নীলের বৈচিত্র আশ্বিন।
ঢাক বাজে চামড়ায়।
দুহাতে গাঁদার অক্ষয় হলুদ মেশে,
দুর্বার ঘাম ঝড়ানো হিম।
ফুচকায় ভেসে আছে ছোলা। খর জল। লেবু ভাসে তেঁতুলে।
মা আসছে দোলায়।
সাধনা অধম কলমী, ডগ কাটলে অনিয়ন্ত্রিত সঙ্গোপন
ভালোবাসা পা দিয়ে ঠেলে, চললি কোথায়?
বাগানে পালং চাঁপা নটে সদ্ভাব চিরকাল
আরো বর্ণময় আগমনী, মাটির দেয়াল ভাঙে সুর মুর্ছনা।
কবিতার মোহে বর্ণমালা লেখে আপনজন।