অমিতাভ সরকারের কবিতা
চানঘরের লুডো বেলা
খেলাটা জমে উঠেছে।
ভোগলিপ্সু মেঘযাপনের রোদ ঝড় জল বৃষ্টির ভুল বায়নাক্কায় প্রেম নদীর সাগর পারে বহুবর্ণী গুটিগুলো গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে চলেছে।মূঢ় স্বার্থপর চিন্তার নিখুঁত সার্থকতায় দু’পক্ষের মত বিনিময়ও সব ঠিকঠাক।কিন্তু একটু বাদেই আবার সেই সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কের স্টেপ জাম্প।ব্যাস অঙ্কটা ভুল হয়ে গেল। পড়াশোনাটা আজ ভীষণ সঙ্কটে।অঙ্কটা শুরু করতে হবে আবার নতুন করে।আবার সেই প্রথম থেকে।
শুরু করা সহজ।ধরে রাখা কঠিন। নোটবন্দির জীবনের সাপ লুডোয় কখন কে নামছে উঠছে সে কি নিজেই সেটা জানে!
মনযাপনের এক পশলা বৃষ্টি
ছবিটা দেখে চমকে উঠেছি। মাইনাস ফাইভ পাওয়ারের চশমার আড়ালে আপাত নিরীহ রূপের তির্যক মন্তব্যের নখদন্ত দুনিয়ায় সময়ের রুক্ষ মাটিতে রিপু অসুরের স্বর্গধারণকারী বুভুক্ষু সিংহ তাড়না।রতি ক্ষণের বারংবার অসংযত দুর্দম্য পদবিন্যাসে বাস্তবের নান্দনিক সৃজনের রংমহল ভাবনার ক্ষোভ বিনিয়োগের সূত্রে অবিচল হওয়ার ব্রত পালন করে করে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। জমি সেই রয়ে গেছে ফুটিফাটা।কবেকার দুর্লঙ্ঘ অনাবৃষ্টি। অনেক দিন মানবতার চাষাবাদ হয়নি।স্বপ্নের চিঠি নিয়ে ফেরার আজকে যারা, পথের শপথে রোজ চলেছে নিরুদ্দেশের ফেরিওয়ালায় সাথে। ভাবনা মেঘের মেলা ভিড় করে আসে,কিন্তু সরে যায়।আকাশে আবার লোভ,তাড়নার ওমে পোড়া রোদ পৃথিবী উনুনের আঁচে জল দেয়।বৃষ্টিটা আর হয় না।
ছাতিম
ছাতিমেরা ফুটে আছে বাতাসে,মন আবেগ খুশি রোদ্দুর দূরের সুবাসে ভরা মনের বিকল জমি ভাবনা নদীতে পথ আরও চায়,সময় নৌকা ঘাটে আসা-যাওয়া মন ঢাকা ফানুশে চাহিদা সে সুর ভাঁজে একলার,অনেক কথার জ্বালা এখানে কাজ সেরে দেহে ফেরা ঘরের ক্ষোভের টানে ছন্দ আবাস চেনা জানাশোনা বেশ কিছুটা।
বেলা পড়ে আসে ক্ষণ, দিন ছোট বই জমা ক্রোধ মসিকায় সন্ধ্যা কাপড় পরা গাছে মেঘ কালো ছায়া রং আশা ফুটে ঝরে ধুলো মাখে চিন্তা সে রোদ অচেতন,ছাতিমের ঘরে ফেরা গন্ধ ফুলের ভাষা রোজ যেভাবে।