জয়িতা চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা
আমাকে যেতে হবে
এ কেমন প্রেম তোমার এ প্রশ্ন মাথা চাড়া দেয় অন্ধকার মাখা মনের বিবরে
যেন হিম নিঃসঙ্গ অরণ্য আমি হারিয়ে যাচ্ছি
হারিয়ে যাচ্ছি একটু একটু করে
যেন একটা বিশাল দেওয়াল দাঁড়িয়ে আছে আমাদের মধ্যে
দাঁড়িয়ে আছে কোনো নীলিমাভূক পাহাড়
জানিনা প্রেম কার কি গুণাবলী
শুধু জানি তোমাকেই ভালোবাসি
এমন বিক্ষুব্ধ প্রহরে দুরন্ত বাধা
তোমার চোখে চোখ রাখলেই জেগে ওঠে নতুন সভ্যতা
চূড়ান্ত সংগ্রাম রোজ অসহনীয়ের সাথে
ধনী হয় মনভূমি তীব্রবীজে
তবু সহস্র বছর থাকবে অপেক্ষা তোমার উদ্দ্যেশ্যে।।
জন্ম কবজ
আমার ভালোবাসার জন্ম নেই
আমার ভালোবাসার মৃত্যু নেই
তোমার চোখের মতন আমি দেখিনি কখনও কারও চোখ
তোমার ঠোঁটের মতন ঠোঁটে করিনি ওষ্ঠ স্থাপন
আমি অলঙ্কারের মতো ভালোবাসা শরীরে নিয়েই জন্মেছিলাম
ভালোবাসায় মুছে যায় হিংস্র দুঃস্বপ্ন
আলোয় পুড়ে যায় আমার হাত
সত্যের চেয়েও সত্য মর্মকথা
রটিয়ে দিলাম পৃথিবীর বুকে কবিতাদের লিখে
ঘূর্ণিমায়ার অন্ধকারে তুমি মিশে থাকো
আমি আমার ভালোবাসাকে তবু ভালোবেসে যাবো
শুধু তুমি একথা জানলে না
আমার ভালোবাসার মৃত্যু হয়না।