শ্রীপর্ণা গঙ্গোপাধ্যায়’র কবিতা
তেষ্টা
যতবারই তেষ্টার সামনে দাঁড়িয়ে
জলপাত্র দুহাতে নিয়েছি ,ততবারই
সময় টুকরো হয়ে ভেঙে ভেঙে গেছে।
জলপাত্র দুখণ্ডে শয়ান।
তৃষ্ণার জলটুকু নামে না গলায়।
তৃপ্তির গ্রাস টুকু পিছনে রেখেই
বার বার চলে যেতে হয় ।
সামনের রাস্তা জুড়ে আকণ্ঠ
অতৃপ্তিগুলি সাদা সাদা
খই হয়ে গড়াগড়ি দেয়।
প্রতীক্ষা
বেনারসি রঙের মেঘ সরিয়ে নাও তোমার চিবুক।
এখানে অন্ধকারে প্রতীক্ষার পিঁড়ি পাতা আছে।
অন্ন, ব্যঞ্জন জল প্রতীক্ষায় আছে
মূহুর্তের মায়াগুলি প্রতীক্ষায় আছে
জলচৌকি জেগে আছে প্রতীক্ষার কাছে।
বেনারসি রঙের মেঘ সরিয়ে নাও তোমার চিবুক।
এ শরীরে প্রতীক্ষার রঙ লেগে আছে।
জলশঙ্খ
একবার এক নদী আমায় বলেছিল,
তোমার হাত খালি রেখো
ফিরে এসে তোমার হাতের পাতায়
একটি নতুন নাম দেব।
আমি আমার শূন্য হাতের পাতা দেখি আর শুনি
জলশঙ্খের ডাক।
কোন পথে যে সে আসবে ঠিক
বুঝতে পারি না।