সুপ্রভাত মেট্যা’র কবিতা

সুপ্রভাত মেট্যা’র কবিতা

স্মরণিকা

স্মরণিকা ,কৃষ্ণ প্রমান অন্ধকারের হলেও,
তা একান্ত গৌরবের।
অতীতচারনে আলোর বিভা কাব্য লিখিত হয়।দাদাঠাকুরের মুদ্রণ সুখ,আদর,স্নেহ ,
গড়িয়ে জীবন চলার পথকে মসৃণ করে তোলে।ছায়া ঠাকুমাদের দৃশ্যহীন আকাশ ,মাথার উপরে ,স্পর্শ হাতের জীবনী লিখতে লিখতে ,লম্বা আয়ু ; তার এক একটি বাঁক পেরিয়ে পেরিয়ে সংসারের স্বপ্ন লতিকার সফলতা নিয়ে আসে।

ঈশ্বর শক্তি

অনন্ত সে নীল ,সুবিশাল দৃশ্যহীন শূণ্য তোমার মন ,জানে বিস্তৃত অন্ধকার ,আলো -বিহঙ্গের সুর আর হাওয়া-মানুষের উড়ে যাওয়া ,ওপার অনন্তের !
ঈশ্বর ,ফাইফরমাস খাটাবার জন্য নক্ষত্র শক্তির বিপুল আলোয় আলোকিত তার মুখ, ধর্ম প্রযুক্তির সুতোর টানে তোমাকে মাথা নত করে রাখে।
অবশ্যম্ভাবী অভাব অনটনে না থাকলে কী কখনও তুমি ঈশ্বর শক্তির কৃপার সমীপে প্রার্থনা রূপী হয়ে ধুলো পায়ের স্বভাবসিদ্ধ হবে ?

মেঘে মেঘে সারা

একসময় সে শান্ত হয়ে এল ।বাদল ভাবে ছেয়ে যাওয়া মুখ,তার অশ্রু লিখন চোখ ,গলন প্রবাহের মেঘ পেরিয়ে শুভ্র হয়ে এল ।
জল পাতায় পড়েছে নতুন আলো এখন ।সবুজ হয়ে ওঠা মনে লেগেছে হাওয়া ।দোল খাওয়া বালকের কথা ,মৃদু কাদা মেখে ছড়িয়ে পড়ছে পথে।
এসময় কবিতা লিখলে ,হালকা হয়ে, সমস্ত পৃথিবী যেন তার নিজের হয়ে আসে ,কাছে।
ধরা দেয় প্রস্তাবিত ফুলের আকাশ ,মেঘে মেঘে সারা…