নবনীতা সরকারের কবিতা

নবনীতা সরকারের কবিতা

প্রশ্ন

সন্তানের কপালে প্রসব যন্ত্রণা
উঠলে মাতৃত্ব ছুটে বেড়ায় অন্ধগলির
এক প্রান্তে।দেয়াল বেয়ে দলে দলে
নেমে আসে ঘর্মাক্ত মাকড়সারা ।

ঘূণে খায় পদচিহ্নের অবশেষটুকু
কর্ণে কর্ণে জমাট বাঁধে রক্তরঙা পালক

আমি অবুঝ শিশুর মত প্রশ্ন ছুঁড়ি হাওয়ায়-
কার পাপে পোড়ে সন্তান-
মা,নাকি পাতক মাতৃত্বের?

প্রক্ষালন

হাজার গোলাপের মত মুখের মেয়েটি
একবাক্স রং পেন্সিল হাতে
উঠে বসেছিল নিষেধের কাঁচ ঘরে।
তার মুখের আদলে অবিচল শুভ্রতা
সরাসরি প্রবেশ করেছিল
প্রেমিক পুরুষের
বাম কোটরে।

তারপর যৌনতা… উচ্ছন্নতা, আহা মন!

চাঁদ মুখ ছুঁয়ে গেল
থালা ভরা দ্বাদশী মেঘ

মাটির দেওয়াল বেয়ে
লতানো ঘাসের মেটামরফোসিস

হাজার গোলাপ থেকে
টপ টপ করে খসে পড়ল
বীর্যের মত সময় প্রক্ষালন।

যতি চিহ্ন

ফুলস্টপ থেকে কথা শুরু হল,
জলে জলে ভরে গেল
সেমিকোলনের চৌরাস্তা

একটা অকালমৃত্যু তারপর
ঘাস কেটে খেলো
নিম্নাঙ্গের।

যতিচিহ্নের মানে পাল্টে
হয়ে গেল
তিনটে ছোট্ট ডট।