সাজ্জাদ ইসলামের কবিতা
স্মৃতি
জলের পিয়ানো খুলে এইখানে কচুমুখী ক্ষেতের
আহ্লাদ থেকে দেখছি বেগুনের বেগুনি বিভ্রম।
রক্ত গড়িয়ে পড়ছে
পাতালের নীল কৌটায়
আকাক্সক্ষা নিচে
হাওয়াার জলসায়
বিপুল শস্যের ভেতরে
আছে কবরের ঘুঙুর
তবু আমাদের ঘাম ঝরে
মাঠে মাঠে প্রান্তরে প্রান্তরে
ঘেমে যাচ্ছি ধূমায়িত স্মৃতির ময়দানে
ইঙ্গিত দূরের কথা
গভীরে চলে যাব কোথাও যাওয়ার জন্য
অনেক অনেক গল্প লেখা আছে বিকেলের ছায়ায় আশ্রয় খুঁজে পাই না
কোনো মধ্যবর্তী দ্বন্দ্বের কিনারে রাখাল জন্মে কৃষ্ণ-মথুরা-বৃন্দাবনÑ
সোমনাথ মন্দির, মসজিদ চত্বরের দৃশ্য মনে দিয়ে যায় উঁচুনিচু বোধ
বাতাস পাম্প করে স্ফীতি
পরিবেশের জন্য একটা হাওয়া ঢুকছে চিত্রশালায়
নগ্ন হবো বলে পৃথিবীর দম্ভ চূর্ণ করার মতো মহৎ হৃদয়
জটিলতা তৈরি করে এবং দরদ উথলিয়ে পড়ে
ঝরনার জল পরিবর্তন করে বায়ু
চাপানো ব্যস্ততা শেষে, যখন হিজলের ফুল ফুটে
ড্রাগনের আগুনে পুড়ে যাওয়ার সময়,
কে জানে, তখন এমন কিছু কেন আঁকে স্মৃতিকথা…
ময়নার বুলি তাই এত বিক্রি হয় এই মৃত আত্মায়!
ইঙ্গিত যেন দূরের কথা
সময় নিয়ে কথা বলা হচ্ছে
বরফি ছবিটা
জীবনের তফসিল ঘোষণার সময়
গল্প লেপতো প্রকৃতি থেকে
সহজ রাতগুলো আগত সত্যের
রুগ্ন ডাক টহলকারীর
টুপি মাথায় দিয়ে
মুখে মুখোশ পরে
ভয়ের কবচ চিৎকার দিয়ে
আমাকে জখম করেছে
কিছু সাহস পেলাম প্রকৃতি এঁকে
কিছু জাদু দিয়ে
সকালে চত্বরে এসে দাঁড়িয়ে আছি
বন্ধু তোমার জন্য শুভকামনায়
একটা হাওয়া হয়ে এসো
ফেলে এসো কথা, সাপ
ফেলে এসো করোনার জীবাণু
বরফি ছবিটা সাথে নিয়ে এসো
আমাদের দুজনার
কোয়ারেন্টাইনে দেখা হলে
মর্ম বুঝতে পারে বোধসম্পন্ন মানুষ
বচন থেকে পরী তুমি আমার জন্য একটা হাওয়া হয়ে ফিরে এসো
কোয়ারেন্টাইনে দেখা হলে মৃত্যু আসবে সবার আগে
ফটক খুলে দাও তুমি- আমার জন্য একটা জলাশয়
ভরাট করে এগিয়ে এসো আয়াতের অগ্নিতে
পুরোপুরি অন্ধকার কুয়ার পাড়ে ভিড়িয়ে নৌকা
মাল খালাস দিয়ে নগ্ন ফিরে গেলে
ঝিঁঝির ডাক অসীম দরজা খুলে দিবে
ফিরে এসো দাস হিসেবে
আদিম আর্যগণ অগ্নি সারথীসহ এসো
প্রস্তাব গৃহীত হবে
উচ্চারণ অনুসারে বৈঠা বাইছি
আমি আর ভালোবাসা।
নৃকুলবিদ্যা বিতত প্রহরে উদিত হয়ে গিয়েছে
সড়কে সড়কে জীবন হুমকি
কও তো কী ব্যঞ্জনা সৃষ্টি
হবে করোনা ভাইরাসে
জীবন আর মৃতুতে
বহু মৃত্যু, বমন, ডিম- সময়ের ভিড়ে…