রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা

রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা

ব্যবচ্ছেদ

কৈশোরে যে চোখ ছিলো স্বচ্ছতোয়া নদী
তা’ ভরে উঠেছে আবর্জনায়
নেতা অভিনেতা আমলার উচ্ছিষ্ট
কৈশোরের স্মৃতি বাঁচিয়েছে অন্ধত্ব থেকে
বর্তমান ব্যবচ্ছেদ করে বেরিয়ে আসে শৈশবের স্কুল

সবুজ নদী গলা বাড়িয়ে ডাকে
সবুজ আকাশ মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়
সবুজ দুপুর এগিয়ে দেয় ঠাণ্ডা পানি
আর ঝড়ের রাতে নীল নক্ষত্র ঝরে পড়ে
টুকরো টুকরো ঘটনা জুড়ে
পৌঁছুতে হয় তারুণ্যে
খেজুর রসের খোঁজে কতবার তাকিয়েছি শীতের দিগন্তে
যেখানে বসে আছে
স্কুলের সাদা ড্রেস পরে শত শত বক

কতদিন কাকের বৈদিক বচন শুনিনা
হঠাৎ দূরে অসীম নৈঃশব্দ ভেঙে
জেগে উঠছে সন্তানহারা ঘুঘুর কান্না
হেলিকপ্টার নিচের দিকে তাকিয়ে চক্কর দিচ্ছে
মনে পড়ছে মাছরাঙার কথা

এই নগরে আবেগ বদল করে বাঁচতে হয়
উপবাস আর ভোজন ভরা চোখ
শুনতে হয় শয়তানের আশীর্বাদ
স্মৃতি এক নীরব ঘাতক
তবু নরক থেকে বাঁচতে
তার হাতে ধরা দিই বার বার