নাহার আলমের কবিতা

নাহার আলমের কবিতা

সময়ের অন্তিমে

পুরোনো গল্পেরা এভাবেই ফিরে বুঝি আসে বারবার! একদা চুম্বনের মেহফিলে যে কবিতায় জেগেছিলো তুমুল হাহাকার। বেশ অনেকটা গল্পই ছিলো এমন। অল্প অল্প মনে আছে তার। একদিন। সময়ের অতীত ঋণ। ফেরাতে পারিনি আর।
মন থেকে শেখা মন্ত্রে এভাবেই বয়ে গেছে আরও বেশ কিছুটা সময় !
ঠিক যেভাবে কারো একটুকরো সরল মায়ায় হয়েছিলো অবিচ্যুত অসুখের
খানিক নিরাময়।
সেই থেকে তারপর। আরও বেশ কিছুদিনের গড়। জমানো খ্যাতিরা যথারীতি হলো মূল্যহীন। এভাবেই-

ঠিক সেই প্রান্তিক দিকশূন্যপুরে
উত্তাপহীন আহত প্রাণের গভীরে
ঋদ্ধ শোকের নীল প্লাবনে
বিস্মৃতির নির্মোহ সরল উচ্চারণে
ধীরেই হয়ে যাবো জানি একদিন, আমি ও আমার অর্জনসকল বিন্দুহীন।

মূলত দৃশ্যটি ছিলো

নৈঃশব্দ্যের ভেতরে অবলীলায় ঢুকে যায় দিন, ঘড়ির কাটা, ভাবনার সমূহ মুদ্রা।
জলে, জঙ্গলে, নির্জন কিংবা জনারণ্যে প্রাচীনের পথে পথে চোখ বুজে পড়ে থাকে মন মগজ তখন। চঞ্চল তবে আঙুলের কর। নির্ভারে ঘুমায় চেতনার আদি নির্বাসন। অলখে পলি পড়ে বেড়ে ওঠে বিবিধ শব্দের চর। তবুও কেনো কি জানি,
আসরভাঙা একলা বাউলের মতো আমাকে পাঠ করে নিদারুণ নিস্পৃহতা! অলসতায় অন্যমনস্ক।

মূলত দৃশ্যটি ছিলো ঠিক এইরকম!
থিতুয়া মগজে তবুও চিন্তার ছোঁয়াচে রোগ;
যথারীতি বিষণ্ণ মাদকতায় আবারো কাব্যযোগ!